দশমিক দর
ফেরত = বাজি × দর। লাভ বের করতে ফেরত থেকে বাজি বাদ দিন।
খেলাধুলা
দশমিক সংখ্যাটা কী বলে আর মার্জিন কোথায় লুকিয়ে থাকে।
দর দশমিকে লেখা থাকে, আর সংখ্যাটা সরাসরি বলে দেয় জিতলে কত ফেরত আসবে। দর ২.৫০ মানে একশো টাকার বাজিতে ফেরত আড়াইশো — অর্থাৎ লাভ দেড়শো। এটুকু জানলেই স্লিপ পড়া যায়। কিন্তু একটা সংখ্যা আরও বেশি বলে, আর সেটা পাওয়া যায় সব ফলের দর একসাথে হিসাব করলে।
ফেরত = বাজি × দর। লাভ বের করতে ফেরত থেকে বাজি বাদ দিন।
১ ÷ দর — এটাই বুকমেকারের চোখে ফলটির সম্ভাবনা, শতাংশে।
সব ফলের সম্ভাবনা যোগ করুন। একশোর যতটা উপরে যায়, ততটাই বুকমেকারের অংশ।
ধরুন একটি ম্যাচে তিনটি ফলের দর ১.৯৫, ৩.৫৫ আর ৪.১০। সম্ভাবনায় বদলে যোগ করলে দাঁড়ায় প্রায় ১০৪% — একশোর উপরে যে চার শতাংশ, সেটাই বুকমেকারের মার্জিন। এই সংখ্যাটা সাইট ধরে আলাদা, আর একই ম্যাচে দুই সাইটে দর মিলিয়ে দেখলে পার্থক্যটা চোখে পড়ে। ছোট মনে হয়, কিন্তু মাসজুড়ে অনেকগুলো স্লিপে সেটাই যোগ হয়ে বড় হয়।
সাইট বাছাইয়ের মাপকাঠিসাত মাপকাঠি, যেগুলো দেখে নিলে সাইট বাছাই আর অনুমান থাকে না।
বেটিং সাইটনতুন তথ্য এলে — দলের খবর, আবহাওয়া, বাজির প্রবাহ। বাজার সেই অনুযায়ী নিজেকে ঠিক করে নেয়।
একই ফলের জন্য বড় দর মানে বেশি ফেরত। তাই তুলনা করা হয় একই বাজারে, দুই সাইটের মধ্যে।