লাইসেন্স ফুটারে খোলা
কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর আর লাইসেন্স নম্বর — তিনটিই থাকা উচিত। শুধু একটা সিলের ছবি যথেষ্ট নয়, নম্বরটা লেখা থাকতে হয়।
গাইড
সাত মাপকাঠি, যেগুলো দেখে নিলে সাইট বাছাই আর অনুমান থাকে না।
বাজির সাইট বাছার সময় বিজ্ঞাপন সবচেয়ে জোরে কথা বলে, আর সবচেয়ে কম তথ্য দেয়। নিচের সাতটি জিনিস দেখে নিলে সিদ্ধান্তটা অনুমানের বদলে যাচাইয়ের উপর দাঁড়ায় — প্রতিটিই সাইটে বসেই দেখে নেওয়া যায়।
কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর আর লাইসেন্স নম্বর — তিনটিই থাকা উচিত। শুধু একটা সিলের ছবি যথেষ্ট নয়, নম্বরটা লেখা থাকতে হয়।
ক্রিকেট আর ফুটবলে কত দিন আগে ম্যাচ খোলে আর একেকটি ম্যাচে কয়টি বাজার — এটাই বলে সাইটটা বাজিতে কতটা গুরুত্ব দেয়।
একই ম্যাচে দুই সাইটের দর মিলিয়ে দেখুন। পার্থক্য ছোট মনে হয়, কিন্তু মাসজুড়ে সেটাই যোগ হয়।
কত সময়, কোন পথে আর প্রথমবার কী কী লাগে — এই তিনটি লেখা থাকা উচিত ক্যাশিয়ারেই, সাপোর্টকে জিজ্ঞেস করতে হয় না।
লাইভ চ্যাট আছে কি না আর কত দ্রুত উত্তর আসে। রাত দুটোয় একটা প্রশ্ন লিখে দেখলেই বোঝা যায়।
ক্যাশিয়ারে আপনার ব্যবহারের ওয়ালেট আছে কি না। না থাকলে বাকি সব ভালো হলেও প্রতিদিনের ব্যবহারে ঝামেলা।
ফোনে দর পড়া যায় কি না, স্লিপ হাতের নাগালে থাকে কি না। বেশিরভাগ বাজি ফোনেই বসে।
সাত মাপকাঠি এক সাইটে মিলিয়ে দেখুনফুটারের লাইসেন্স থেকে ক্যাশিয়ার পর্যন্ত — সবই খোলা।
এখনই শুরু করুনদর দশমিকে লেখা থাকে, আর সংখ্যাটা সরাসরি বলে দেয় জিতলে কত ফেরত আসবে: ২.৫০ মানে একশো টাকার বাজিতে ফেরত আড়াইশো, অর্থাৎ লাভ দেড়শো। কিন্তু আসল কথাটা লুকিয়ে থাকে সব ফলের দর একসাথে যোগ করলে — সেখানেই বুকমেকারের মার্জিন দেখা যায়।
দর আর মার্জিনের হিসাব দেখুনদশমিক সংখ্যাটা কী বলে আর মার্জিন কোথায় লুকিয়ে থাকে।
দর ও কুপনবিদেশি লাইসেন্সধারী সাইট সাধারণত খোলে। আইনে অনলাইনে খেলা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলা নেই — বিস্তারিত আমাদের আইনের পাতায়।
যে সাইটে আইপিএল আর আন্তর্জাতিক সিরিজে ওভার ধরে বাজার খোলে, সেখানে। ম্যাচ কত দিন আগে খোলে সেটাও একটা ভালো সংকেত।
যায়, আর দর মিলিয়ে দেখার জন্য অনেকে রাখেনও। তবে টাকা ভাগ হয়ে যায় আর ভেরিফিকেশন দুবার করতে হয় — এটুকু হিসাবে রাখবেন।